তিনি বলেন, ‘দূষণ কমানো আমাদের জাতিগত দায়িত্ব। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাব। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’ গতকাল ফেনী সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আবদুল আউয়াল মিন্টু এ কথা বলেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সব সময় চায় দেশের পরিবেশ উন্নত হোক। কিন্তু ঢাকা শহরের দূষণ পরিস্থিতি পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ। যেভাবেই হোক আমাদের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতের পরিবেশ আরো উন্নয়ন করতে হবে। শুধু যে বাতাসের দূষণ হচ্ছে তা নয়, আমাদের শব্দের দূষণ কমাতে হবে, নদীর দূষণ কমাতে হবে।’
আবদুল আউয়াল মিন্টু আরো বলেন, ‘আগের কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। এখন কাজ হলো আমাদের এগুলো উন্নত করা। যাতে আমাদের দেশে সব ধরনের দূষণ কমে। দূষণ দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, জীবনমানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। পরিবেশ খাতে লুটপাট আগে যা-ই হয়ে থাকুক, ভবিষ্যতে আর হবে না।’ ইটভাটা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘মাটি পোড়ানো ইটকে পরিবেশবান্ধব ইটে রূপান্তর করা এক-দুই বছরে সম্ভব নয়। তবে পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটে আমাদের যেতেই হবে।’
এ সময় ফেনী জেলা প্রশাসক মুনিরা হক, পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. নবী নেওয়াজ, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোবাশ্বের হোসেন মো. রাজিবসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে আবদুল আউয়াল মিন্টু জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় অংশ নেন। এ সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









