সাতক্ষীরা জেলা শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনী খাতুনের সম্প্রতি বদলির আদেশ দিয়েছেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার। এই বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য ১৪ই সেপ্টেম্বর সকাল দশটায় শ্যামনগরের দল মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন। উক্ত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের একমাত্র দাবী কর্মদক্ষ জনবান্ধব গরিবের বন্ধু শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনী খাতুনের বদলি আদেশ স্থগিত করে তাকে এই শ্যামনগর উপজেলায় রাখার জন্য বিভাগীয় কমিশনার খুলনা সহ উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। শ্যামনগর মুন্সিগঞ্জ কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল তপন কুমার মন্ডল এই মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে তার বক্তব্যে বলেন মিসেস রনী খাতুন শ্যামনগর উপজেলার গরিব-দুখী মেহনতী মানুষ সহ সর্বস্তরের মানুষের ঢাল হয়েছিলেন এই ঢাল সরে গেলে শ্যামনগরের মানুষের জন্য অন্ধকার নেমে আসবে ,সে কারণে অবিলম্বে তার বদলি প্রত্যাহার করতে হবে বলে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা সাদেকুর রহমান সাদেক তার বক্তব্য বলেন রনী খাতুন ছিলেন একজন দল মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি এই গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে আমরা কোনভাবেই বিদায় মেনে নিতে চাই না সে কারণে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনী খাতুনের বদলী আদেশ স্থগিত করতে হবে। শ্যামনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রফেসর মনির হোসেন তার বক্তব্যে বলেন দেশের এই ক্লান্তি লগ্নে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কন্যারে অবস্থিত সবচেয়ে সর্ববৃহৎ উপজেলা শ্যামনগরের হাল ধরেছিলেন রনী খাতুন আজ একটি বছর বিভিন্ন সমস্যা সম্মুখীন হয়েছেন সমাধান করেছেন নিজের খাওয়া ঘুমকে বাচ্চাদের আবদার কে উপেক্ষা করে রাত দিন ছুটেছেন শ্যামনগরের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য শ্যামনগরের মানুষের নানামুখী সমস্যা সমাধানের জন্য। তিনি ছিলেন সর্বদলীয় মানুষের মুখপাত্র কোন দল তাকে এককভাবে ব্যবহার করতে পারেনি আর তিনি কোন দলের হয়ে এককভাবে ব্যবহার হয়নি তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনবান্ধব কর্মদক্ষ একজন মানুষ শ্যামনগর উপজেলায় রাজা পতাপতিত্বর নাম যতদিন থাকবে ততদিন থাকবে রনী খাতুন এর নাম সে কারণে আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি রনী খাতুনের বদলি আদেশ স্থগিত করার জন্য। তিনি আরো বলেন যদি আজকের এই কর্মসূচির পরে রনী খাতুনের বদলি আদেশ স্থগিত না হয় তাহলে আমরা পরবর্তীতে ভিন্ন পদক্ষেপ ভিন্ন কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব এই আমাদের প্রত্যাশা। দৈনিক আমার সময় দৈনিক ভোরের পত্রিকা দৈনিক সকালের বাংলা দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকা ও দৈনিক সংযোগ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম এই মানববন্ধনের ভার্চুয়ালি বক্তব্য বলেন শ্যামনগর উপজেলা ছিল একটি অন্ধকার জগতে সেই অন্ধকারকে দিন বানিয়েছিলেন রনী খাতুন নির্বাহী অফিসার তার সকল কর্মদক্ষের নিম্নায়ের মানুষ থেকে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ শিক্ষাবিদ সমাজসেবক সুশীল সমাজ সকলেইর কাছে তিনি ছিলেন একজন জনপ্রিয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারীরা আছে সমাজে পিছিয়ে নেই সেটিকে প্রমাণ করিয়েছেন শ্যামনগরের গ্রাম গঞ্জের নারীদের নানান এনজিও স্বায়ত্তশাসিত ও সরকারি মিটিং সেমিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি রেখেছেন দৃষ্টান্ত অবদান। রনী খাতুনের এক বছরের কর্মযোগে নয় এর কিছু তথ্য নিম্নে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হলো।
প্রতিভা কোনো সীমাবদ্ধ সিদ্ধিতে সন্তুষ্ট থাকে না, অসন্তোষই তার জয়যাত্রা পথের সারথি’ বলেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সরকারি অনেক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে জনগণের রয়েছে অনেক অভিযোগ। এর মধ্যে ব্যতিক্রম জনবান্ধব, পরিশ্রমী বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার রনি খাতুন।
তার সততা ও কর্মদক্ষতায় পাল্টে গেছে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরের কর্মকাণ্ডে ফিরে এসেছে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা। কমেছে জনভোগান্তি আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান। কমে গেছে অনিয়ম ও দুর্নীতি আগে যেমন শ্যামনগর উপজেলায় প্রতিটি অফিসে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল সেটি এখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনী খাতুন জিরোতে নামিয়ে এনেছে এটা তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কর্মদক্ষতার কারণ।
শ্যামনগর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তার সততা ও কর্মদক্ষতায় পাল্টে গেছে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরের কর্মকাণ্ডে ফিরে এসেছে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা। কমেছে জনভোগান্তি আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান। শ্যামনগর উপজেলাকে একটি উন্নত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরালসভাবে কাজ করছেন ষতিনি। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা শ্যামনগর, প্রতিদিন এই কর্মদক্ষ জনবান্ধব কর্মকর্তা এ প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত পর্যন্ত জনগণের কাজের স্বার্থে দৌড়ে বেড়াচ্ছে। এখানে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন তাহলে কি ইউএনও রনি খাতুন জনপ্রতিনিধি হবেন ,কিন্তু আসলে তা না তার লক্ষ্য উদ্দেশ্য এই অবহেলিত উপজেলার মানুষের জন্য মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কোন কিছু করে স্মৃতি রেখে যাওয়া । জনবান্ধব এই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলার জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উপজেলার যেকোনো অবৈধ ও অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে তিনি সবসময় সোচ্চার। তিনি কোনো অভিযোগ পেলে তার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেন। তা ছাড়া গণমাধ্যম, ফেসবুক, মুঠোফোনের মাধ্যমে পাওয়া বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে সমাধান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।
তাছাড়া সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবা, সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য সরকারিভাবে ঘর নির্মাণ এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।









