গাজায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইসরায়েলি বিমান অভিযানে নারী ও শিশুসহ ২৬ জন নিহত হওয়ার পর, যদিও এর পরপরই ত্রাণ সরবরাহে দেওয়া ২৪ ঘণ্টার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে ইসরায়েল। রয়টার্স জানায়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে—রোববার গাজায় হামাস যোদ্ধারা তাদের এক ট্যাংক লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, এতে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হন। ঘটনাটির পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে গাজায় খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং রাতে বিমান হামলা চালানো হয়, যেখানে নারী ও শিশুসহ ২৬ জন প্রাণ হারান। তবে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ইসরায়েল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এদিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর রয়েছে এবং তিনি মনে করেন, হামলার সঙ্গে হামাস নেতৃত্ব সরাসরি জড়িত নয়, তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ‘কঠোর ও সঠিকভাবে’ সামলাতে হবে। তিনি জানান, তাঁর বিশেষ দূত স্টিফ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার ইতোমধ্যে ইসরায়েল সফরে গেছেন ঘটনাটি ঘিরে কূটনৈতিক আলোচনা এগিয়ে নিতে। অন্যদিকে হামাসের সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ১০ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের লঙ্ঘনের নির্দেশ দেয়নি, যদিও গাজার বিভিন্ন স্বতন্ত্র গ্রুপ ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স বলেছেন, গাজায় বর্তমানে ৪০টিরও বেশি গ্রুপ সক্রিয়, যাদের মধ্যে কয়েকটি যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, তবে বেশিরভাগ এখনো তা মানেনি; হামাসকে সম্পূর্ণভাবে অস্ত্রমুক্ত করতে হলে এই বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর প্রতিও কঠোর মনোযোগ দিতে হবে।









