দূর্নীতি যেন পিছু ছাড়ছেই না খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে। দুর্নীতির ভাইরাস জেন রন্ধে রন্ধে। খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এমএসআর টেন্ডারে বড় রকমের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ নিয়ে নিয়ে একবার বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় অনেক লেখালেখি ও দুদক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনেকগুলো অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও দূর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তার এখন পর্যন্ত তদন্ত ও শাস্তি না হওয়ায় তারই দ্বারাবাহিকতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে এমএসআর টেন্ডারে ইজিপিতে তে চলছে বতর্মানে বড় রকমের দূর্নীতি। সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ ইজিপিতে দক্ষ জনবল তৈরী করার জন্য ট্রেনিং দেওয়ালেও এখনো খাগড়াছড়ি উপজেলা ও সদর হাসপাতালের একজন স্টাফও ইজিপি এর কিছুই শিখতে পারেনি। এ সুযোগে মোটা অংকের টাকার অতীতের সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজস করে সিভিল সার্জন সমস্ত উপজেলা টিএইচও দের ফোন করে ঠিকাদারদের কে অফিসের গোপনীয় আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে দিতে বলে অনেক রকম চাপের মুখে রাখে, যা সম্পূর্ণ বেআইনী। এবছর এখন পর্যন্ত ৫ টি উপজেলায় টেন্ডার করা হয়েছে। সবগুলো উপজেলায় গত বছরের মত কোন নিয়মকানুন না মানিয়া নির্দিষ্ট অতীতের ঠিকাদারকে কাজ দিয়েছে।
পিপিআর কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিয়ম কানুন তোয়াক্কা না করিয়া নূর সার্জিক্যাল, এনএসআই মার্কেটিং কোম্পানী, পিআর ইন্টারন্যাশনাল, ক্রিষ্টাল কর্পোরেশন, তানিম সার্জিক্যাল কে সবগুলো উপজেলার কাজ দেওয়া হয়। যাহা আপত্তিকর। এই ফার্মের কাগজপত্র অনেকগুলো এডিট করা ও ফার্মের মালিক জেলখানায় আছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। তার স্বাক্ষর জাল করিয়া দরপত্র দাখিল করিয়াছেন এবং ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কোনপ্রকার মামলা থাকিলে সে দরপত্র দাখিল করতে পারিবে না, তারপরও নূর সার্জিক্যাল এর মালিক নুরুল আরিফ কিভাবে জেলখানায় বসে দরপত্র দাখিল করেন। এই আরিফ ফেনীর সাবেক এমপি নিজাম হাজারীর ব্যবসায়ীক পার্টনার। নুরুল আরিফ জেলখানায় বসে ডিওএইচএস এর ২১নং রোড থেকে খাগড়াছড়ির সমস্ত টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছে। গত ১৬ বছর এমএসআর জগতে নানা অনিয়ম করে আসছে এই নুর সার্জিক্যাল। যার বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল, খাগড়াছড়িতেও গত বছরের মত এবারও অনিয়মের মাধ্যমে টেন্ডার রেডি করেছে, আইডি পাসওয়ার্ড ও এই নুরুল আরিফের মহাখালী ডিওএইচএসের ২১ নাম্বার রোডের অফিসে। সবগুলো উপজেলাও ওই অফিস থেকে বিজ্ঞপ্তি নেওয়া ও ওয়ার্ক অর্ডার নেওয়া, কার্যাদেশ তৈরী করা হয়েছে। গত বছরের অর্ধেক মালও এখন পর্যন্ত হাসপাতালে পৌছায়নি, কিšদ বিল ঠিকই সাথে সাথে উঠিয়ে নিয়েছে। অনেক বছর যাবৎ তত্ত্বাবধায়ক পদটি ফাঁকা থাকায় এই হাসপাতালের বেহাল দশা।
এই সমস্ত অপকর্মের মুলহোতা বর্তমান সিভিল সার্জন কাম-তত্বাবধায়ক। উপরোক্ত বিষয়টি অনতিবিলম্বে সিপিটিইউ এর মাধ্যমে তদন্ত করিয়া ডাঃ ছাবের হোসেসহ সকল টিএইচও এর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী । সম্পূর্ণ পিপিআরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বড় রকমের অরাজকতা করে যাচ্ছে এই দূর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট। একটি স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দাখিতকৃত টেন্ডার অতীতের সকল বৈষম্য দুর করণের জন্য প্রয়োজন পুনরায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল, খাগড়াছড়িতে দূর্নীতি রোধ করিতে দ্রুতু সদর হাসপাতালে তত্ত্ববধায়ক পদায়ন করা জরুরী। বর্তমান সিভিল সার্জন এর বিরুদ্ধে রয়েছে অনেক অভিযোগ ও অডিট আপত্তি। এই ব্যাপারে সিভিল সার্জন এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।









