অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শেখহাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ এতই শক্তিশালী যে, পৃথিবীর যেকোনো আদালত তার সর্বোচ্চ শাস্তি দিতেপারে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেসাক্ষ্য-প্রমাণ স্বচ্ছ।
বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিয়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এতগুলো মানুষ জীবনহারিয়েছে, অসংখ্য মানুষ পঙ্গু হয়েছে; অথচঅপরাধীদের মধ্যে কোনও অনুশোচনা নেই।বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ভোটাধিকার হারিয়েছে সেটি নিয়েও তাদের কোনওঅনুশোচন নেই। এটাই সবচেয়ে দুঃখের বিষয়।
তিনি আরও বলেন, ‘বাইরে কেউ কেউ প্রশ্ন তোলে, আসামিরা ন্যায়বিচার পাবে কি না। ১ হাজার ৪০০মানুষ যে নিহত হয়েছেন, তারা কি ন্যায়বিচার পাবেননা? ৩০ হাজার পঙ্গু মানুষের ন্যায়বিচার কি হবে না? এগুলোও বিচার ব্যবস্থার উপর প্রশ্ন তোলে।
সাক্ষ্য-প্রমাণের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এমামলায় যে সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করাহয়েছে, বিশ্বের যেকোনো সাক্ষ্য আইনের মানদণ্ডেসেগুলো বাতিল বা খারিজ করার সুযোগ খুবই কম।দলিল, মৌখিক ও সব ধরনের সাক্ষ্য দ্বারাপ্রসিকিউশন প্রমাণ করেছে, এ অপরাধগুলো সংঘটিতহয়েছে এবং আসামিরা এতে জড়িত।
এসময় ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুলইসলাম শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীআসাদুজ্জামানের সর্বোচ্চ শাস্তি চান। তিনি বলেন, ‘এত অপরাধের পরও শেখ হাসিনার মধ্যে বিন্দুমাত্রঅনুশোচনা নেই। উল্টো মামলাকারীদের নিশ্চিহ্নকরার হুমকি দিচ্ছেন। সেনাবাহিনীকে বিভিন্নভাবেউস্কানি দিচ্ছেন। তবে দেশপ্রেমিক সেনাবহিনী এইফাঁদে পা দেয়নি। পলাতক থেকে শেখ হাসিনা দেশেগৃহযুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা করছে।
এদিকে, অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনেমানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় কবে হবেতা আগামী ১৩ নভেম্বর জানা যাবে বলে জানিয়েছেআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ দুপুর সোয়া১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এরচেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজামজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিকপ্যানেল এ তারিখ ঘোষণা করেন।









