দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদনির্বাচন ও গণভোট। এরই মধ্যে আলোচনারকেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ভোট কবে অনুষ্ঠিত হবে। এদুটি ভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষকরেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী বছরের১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তারিখটিকেই বেশিপ্রাধান্য দিচ্ছে ইসি। তবে ৮ ফেব্রুয়ারিকেওবিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভোটআয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।
এক নির্বাচন কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তেঢাকা মেইলকে বলেন, আমরা তফসিল ঘোষণারতারিখ ও ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করেছি। এখনশুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
কবে ভোট হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিএকটি নির্দিষ্ট তারিখ বলব না, কারণ তাতে আমিপ্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে পড়ব। তবে ভোটের জন্য দুটিনির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারি—একটি ৮ ফেব্রুয়ারি(রোববার), আরেকটি ১২ ফেব্রুয়ারি(বৃহস্পতিবার)। এ দুই তারিখের একটি চূড়ান্ত করাহয়েছে।
তফসিল ঘোষণার বিষয়ে তিনি বলেন, আগামীসপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেটি আগামীবুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কিংবা বৃহস্পতিবার(১১ ডিসেম্বর)।
তফসিল বা ভোট পিছাতে পারে কি না জানতেচাইলে তিনি বলেন, জটিল কোনো পরিস্থিতি তৈরিনা হলে তফসিল পেছাবে না। আর যদি কোনোকারণে তফসিল পিছিয়েও যায়, তারপরও ভোটনির্ধারিত তারিখেই অনুষ্ঠিত হবে, কারণ আমাদেরহাতে এখনো অনেক সময় আছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) এ নিয়ে বৈঠক হবে। রোববারের সিদ্ধান্তের পরথেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে যেকোনো দিন তফসিলঘোষণা করা হবে।
সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু থেকেই সবপ্রস্তুতি নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সরকারথেকে গণভোটের ঘোষণা আসায় অতিরিক্ত ব্যালটপেপার, অতিরিক্ত গোপন কক্ষ, বাজেট বৃদ্ধি—এমন আরও বেশ কিছু প্রস্তুতি নিতে হয়েছে।ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইন-বিধি সংশোধন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, অধিকাংশ ছাপার কাজ, অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের সব বিভাগেরপ্রধানদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠকও শেষ হয়েছে।এখন বাজেট নিয়ে আলোচনা করছে নির্বাচনকমিশন।









