লক্ষ্মীপুরে সীমানার খুঁটি ভেঙে ও গাছ কেটে মোবাশ্বেরা বেগম নামে এক নারীর ১৭ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারার ঘটনা ঘটেছে। পরে তার ছেলে ইয়াছিন চৌধুরী বাদী হয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। এতে আদালত ঘটনাস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে সদর মডেল থানার সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হুমায়ুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী মোবাশ্বেরা সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের খোন্দকারপুর গ্রামের মৃত এডভোকেট ইউছুফ চৌধুরীর স্ত্রী।
মামলা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২ জুন সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউয়িনের খোন্দকারপুর গ্রামের প্রবাস ফেরত কামরুল আহছান তার লোকজন দিয়ে জোপরপূর্বক মোবাশ্বেরার জমি দখলের চেষ্টা করে। এসময় কাঁঠাল ও সুপারিসহ বিভিন্ন প্রজাতির ১০ টি গাছ, জমির সীমানার কাটাতার ও খুঁটি ভেঙে ফেলে। এ ঘটনায় ৯৯৯ এ কল দিলে সদর থানা পুলিশের এএসআই রিপন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে মোবাশ্বেরার ছেলে ইয়াছিন বাদী হয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করেন। তথ্যসূত্রে জানা যায় কামরুল আহছান একি জমি দখলের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ইয়াছিন চৌধুরী বাদী হয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি আইনে মামলা দায়েরের পর আদালত কামরুলকে কারাগারে পাঠান। সাতদিন কারাগার থাকার পর কামরুল বর্তমানে জামিনে আছেন।
সদর মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রিপন বলেন, জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় বাগানের ভিতর টিনের বেড়া দিয়ে ঘর তৈরি করছে। আমরা ঘর করা বন্ধ করে দেই। এবিষয় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
ইয়াছিন চৌধুরী বলেন, কামরুলদের সঙ্গে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে, আদালতে মামলা চলছে। এরমধ্যে তারা আমাদের ১৭ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলে নিতে বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা করে আসছে।
মোবাশ্বেরা বেগম বলেন, জমি দখল করতে কামরুল ভাড়াটে লোকজন নিয়ে আমার গাছপালা কেটে ফেলেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কামরুল আহছানের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল দিলেও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি।
সদর মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. হুমায়ুন বলেন, ঘটনাস্থলে বিষয় আদালত ১৪৪ জারি করে। আদালতের নির্দেশনার কপি পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে উভয়পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এসেছি।









