লক্ষ্মীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাতজন নিহতের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে নিহতদের বাড়িতে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে নিহতদের পরিবারের খোঁজ খবর নেন তারা। এরপর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ১লাখ ২৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামসেদ আলম রানা গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকারের নির্দেশে নিহতের বাড়িতে আসেন। এই পরিবারের পাশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন রয়েছে। পরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্ল্যা ভূঁইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে প্রবাসী বাহারের সাথে কথা বলে সমবেদনা জানান এবং সকল রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এদিকে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ওমান প্রবাসী বাহার উদ্দিনের পরিবারের ৭ জনের নিহতের প্রায় ২৪ ঘন্টা পার হলেও অভিযুক্ত চালক রাসেল হোসেনকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
অভিযুক্ত চালক রাসেল গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন, বাহার উদ্দিনসহ এলাকাবাসী। তারা দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ের থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মোবারক হোসেন বলেন, অভিযুক্ত মাইক্রোবাস চালক রাসেল হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। এখনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
উল্লেখ্য, ঢাকার বিমানবন্দর থেকে আসার সময় বুধবার সকালে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজারের যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস ড্রাইভারের অসাবধানতায় খালে পড়ে যায়। এতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম চৌপল্লী এলাকার একই পরিবারের তিন মেয়ে শিশু ও চার নারীসহ সাতজন নিহত হয়।









