নাটোরের লালপুরে একদিনেই পৃথক দুই অভিযানে অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ডিজেল সরবরাহ ও পদ্মা নদীর চর থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
লালপুর থানার সামনে অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ভাই ভাই ওয়েল সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পর্যালোচনা করে আনুমানিক ১৩০০ লিটার ডিজেল অবৈধ ইটভাটায় সরবরাহের সত্যতা পাওয়া যায়। এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই দিনে পদ্মা নদীর চর থেকে অবৈধভাবে ভরাট বালু উত্তোলনের অভিযোগে শাহিন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার শর্তে তার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া গোপালপুর ফিলিং স্টেশনেও তেল বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়। এ সময় এক বাইকারকে একাধিকবার তেল নেওয়ার কারণে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিষয়গুলো নিশ্চিত করে লালপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবীর হোসেন জানান, অভিযানে লালপুর থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর উপজেলা টিম সহযোগিতা করেছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আইন প্রয়োগের ধারাবাহিকতা থাকলে অনিয়মের শেকড় দুর্বল হয়—লালপুরের এই অভিযান সে ইঙ্গিতই দিচ্ছে। তবে প্রশ্ন রয়ে যায়, জরিমানার পরও যদি একই অপরাধ বারবার ফিরে আসে, তাহলে প্রতিরোধের কাঠামো কতটা কার্যকর হচ্ছে?









