সরকারদলীয় চাপ ,নানা রকম বিশৃঙ্খলা ,পেশি শক্তি রোধ করণ,টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণ ও একটি অবাধ ও স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইজিপি পদ্ধতি চালু করা হলেও এখন পর্যন্ত ১০০% দপ্তর এই পদ্ধতি ফলো করে না।সরকার এই ইজিপি পদ্ধতি চালু করার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পিইদের ও তার সহকারীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকার , ঠিকাদারদেরকে ও কোটি কোটি টাকা খরচ করে দোহাটেক নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করলেও এখন পর্যন্ত ১০% প্রতিষ্ঠান নিজেরা স্বয়ংসম্পন্ন হতে পারেনি, একটি সহজ ট্রেনিং তারা মনোযোগী হতে পারে না।তারা ডিপেন্ড করে বাইরের এক্সপার্ট কনসালটেন্টের উপরে আর সেখানেই শুরু হয় দুর্নীতির প্রথম ধাপ, এই এক্সপার্ট রা সি পি টি ইউর আদর্শ দলিল অনুসরণ না করে টেন্ডার করে থাকে এবং পিপিআরকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মূল্যায়ন করে ও কার্যাদেশ দিয়ে থাকে যা আপত্তিযোগ্য।অহেতুক শর্ত দিয়ে যেখানে যা শর্ত দরকার তা না দিয়ে বিভ্রান্তি করে অনিয়মের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করে যাহা PPR বহির্ভূত । ইজিপি টেন্ডার লট ভিত্তিক হয়, দেখা দেয় একরকম জটিলতা, কোন আইটেমই বাজারদরের সাথে সামঞ্জস না রেখেই দর দাখিল করে নিম্নদাতা হয়ে যায় । ShSMCH/TENDER/PERISHABLE/DIET/2025-
2026/L-1 ও ShSMCH/TENDER/Breakfast/DIET/2025-
2026/L-1 মোতাবেক গত ২২সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের রোগীর পথ্য (ব্রেড ও মাংস) সরবরাহের টেন্ডার এ দেখা যায়, ঠিকাদার বাজেটের অর্ধেকের চেয় কম দামে রেট কোড করে আছে যাহা বর্তমান বাজারদরের সাথে মোটেই সামঞ্জস্য নয়, দাখিল কৃত ঠিকাদারের প্রাইজ সিডিউল যাচাই করলে দেখা যাবে একটি জিনিসের দাম আয়কর ও ভ্যাট ছাড়াই ৮০ পার্সেন্ট ৯০% কম রেটকোড করেছে শুধু নিম্ন দরদাতা হওয়ার জন্য, তাহলে সে কিনবে কিভাবে, আর রোগীকে খাওয়াবে কি? শুধু সরোয়ারদী হাসপাতাল নয় সমস্ত বিশেষায়িত হাসপাতাল সদর হাসপাতাল এমনকি উপজেলা গুলোতেও একই রকম ঘটনা।
ইজিপিতে লট এবং আইটেম এর যে বৈষম্য এটা সুস্পষ্টভাবে দূর করা না গেলে এই গ্যাপ থেকে যাবে।,প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদা প্রাক্কলন ও বরাদ্দকৃত বাজেট এবং পাস করা এপিপি অনুযায়ী দরপত্র সিডিউলের আইটেম ঠিক রেখে দরপত্র আহ্বান এবং মূল্যায়ন করে কার্যাদেশ দেয়া গেলে কিছুটা দুর্নীতি রোধ হবে বলে মনে করেন অনেকেই।









