রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্রা ইউনিয়নে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী এক শিশুকে (৭) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লুৎফর রহমান (৬০)। তিনি পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবেশী।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটি পাশের বাড়ির লুৎফর রহমানের কাছে ঝালমুড়ি কিনতে যায়। এ সময় লুৎফর রহমান শিশুটিকে ফুসলিয়ে তার ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে শিশুটি একা একা নিজ বাড়িতে ফিরে আসে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে তীব্র ব্যথা অনুভব করতে থাকে। তার শারীরিক অবস্থা দেখে মায়ের সন্দেহ হলে তিনি বারবার জিজ্ঞাসা করার পর শিশুটি ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে। শিশুটির বুকে ও পেটে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুটির ফুফু জানান, “লুৎফর রহমান আমাদের বাড়ি থেকে ২-৩টি বাড়ি পরেই থাকেন। মেয়েটি তার কাছে ঝালমুড়ি কিনতে গেলে সে তাকে ঘরে নিয়ে এই অপকর্মের চেষ্টা করে। প্রথমে ভয়ে মেয়েটি কিছু বলতে চায়নি, পরে ওর মা বারবার জিজ্ঞাসা করায় সব বলে দেয়। আমরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমরা সদর হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়েছি।”
তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যে পাংশা মডেল থানার ওসিকে মৌখিকভাবে অবগত করা হয়েছে এবং আজ বুধবার (১ জুলাই) থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঈনুল ইসলাম জানান, “ঘটনাটি ভুক্তভোগী পরিবার মৌখিকভাবে আমাদের জানিয়েছে। তারা বর্তমানে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে অবস্থান করছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে তদন্তপূর্বক দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”









