আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম প্রতিরোধে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটিকে (ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি) প্রথমবারের মতো বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান মতে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের দিয়ে দেশের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একটি করে মোট ৩০০টি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। নির্বাচনে কোনো প্রার্থী বা তার কর্মী-সমর্থক আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে এবং অপরাধ স্বীকার করলে সংক্ষিপ্ত ট্রায়ালের মাধ্যমে ওই কমিটি ক্ষমতাবলে শাস্তি বা ক্ষেত্রবিশেষে জেল-জরিমানা দিতে পারবে।
একইসঙ্গে, তফসিল ঘোষণার পর প্রথম দিকে সীমিত সংখ্যাক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হবে। ভোটের আগে এ সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। প্রতিটি উপজেলার জন্য দুজন, প্রতি নয়টি ওয়ার্ডের জন্য দুজন, ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটির জন্য ১৫ জন এবং চট্টগ্রাম সিটির জন্য ১০ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট রাখা হবে, যারা নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রার্থী বা কর্মী-সমর্থকদের আচরণবিধি তদারকি করবেন।









