লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় চরমনসা গ্রামের ফসলের জমির মাঠে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামের এক অটোরিকশা চালকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফরহাদ একি গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। লাশের ডান চোখ উপড়ে ফেলা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক ব্যক্তি পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে ফরহাদকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। আজ ভোরে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি মাঠে তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন, ‘পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে রাতে তাকে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয়। টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
লক্ষ্মীপুর মডেল থানার (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানান, চরমনসায় একটি ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে। লাশের বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।









