বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ সী-বীচ বিওপি’র একটি বিশেষ অভিযানে মালিকবিহীন সিএনজিসহ ৩৫ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
২৭ জুন ২০২৬ তারিখ নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, কক্সবাজার হতে একটি সিএনজিযোগে মাদকের একটি চালান মেরিন ড্রাইভ সড়ক অতিক্রম করে টেকনাফের দিকে পাচার করা হবে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সী-বীচ বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ কচ্ছপিয়া এলাকায় একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরিকল্পনা মোতাবেক বিজিবি’র আভিযানিক দল আনুমানিক ১৮৫০ ঘটিকা হতে উক্ত এলাকায় কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে বিশেষ যানবাহন তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
পরবর্তীতে, আনুমানিক ১৯৩০ ঘটিকায় কক্সবাজার হতে টেকনাফগামী একটি সন্দেহজনক সিএনজিকে তল্লাশির জন্য থামার সংকেত প্রদান করা হয়। এ সময় চালক বিজিবি’র সংকেত অমান্য করে দ্রুতগতিতে টেকনাফের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিজিবি’র আভিযানিক দল সিএনজিটিকে ধাওয়া করলে চালক মিঠাপানিরছড়া এলাকার পাকা রাস্তার পাশে সিএনজিটি ফেলে দ্রুত পার্শ্ববর্তী এলাকায় পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় সিএনজিসহ ৩৫ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করে। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৪,১০,৫০০/- (চার লক্ষ দশ হাজার পাঁচশত) টাকা।
অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার ও অন্যান্য অপরাধ দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল, যানবাহন তল্লাশি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হবে এবং জব্দকৃত সিএনজির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
*বার্তা প্রেরক*
*লেঃ কর্নেল মোঃ হানিফুর রহমান ভূঁইয়া, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি*
অধিনায়ক
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)









