সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের বিস্ময়কর আবিষ্কার রাজবাড়ী ২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশিদ হারুন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে তিনি সারাদেশে প্রশংসায় ভাসছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় রাজবাড়ীর উন্নয়নে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি। তৃণমূলের ভাষ্য- সঠিক পথেই হাঁটছেন আমাদের এমপি । মানুষের সঙ্গে বিরোধিতা নয়, সৌজন্য সম্মান আর ঐক্যের রাজনীতির মাধ্যমেও জনতার হৃদয় জয় করা যায়, এই বার্তাই তুলে ধরেছিলেন রাজবাড়ী-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ।
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে রাজবাড়ী জেলার রাজনীতির নানা কঠিন সময়ে তিনি মাঠে থেকে দলীয় কর্মসূচি, মিছিল, সভা-সমাবেশ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, এমনটাই তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের ভাষ্য। শুধু রাজবাড়ী-২ নয়, পুরো রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং কখনোই হতাশ না হয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মনোনয়ন প্রক্রিয়ার সময় রাজবাড়ী-২ আসনে একাধিক প্রার্থী ছিলেন, এক পর্যায়ে জোটের প্রার্থী হিসেবে অন্য একজনের নাম ঘোষণার পরও হারুন অর রশিদ হারুন কোনো অভিযোগ বা হতাশার পথ বেছে নেননি। বরং তিনি তাঁর নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন, পরবর্তীতে দল তাঁকেই চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেয়
তিনি বলেন -আমি ব্যক্তি হারুন, হয়তো ধানের শীষের পাশে আমার নাম আছে, কিন্তু আমি হারুন সবার।
এই একটি বাক্য যেন তাঁর রাজনৈতিক দর্শনেরই প্রতিফলন, পদ বা পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।
প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু হিংসা-বিদ্বেষ নয়, ভালোবাসা, সম্মান, সৌজন্য এবং ঐক্যের মাধ্যমেও মানুষের আস্থা অর্জন করা যায়, এই বার্তাই তিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।
রাজনীতি তখনই সুন্দর হয়, যখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হলে সবাই আবার একসঙ্গে মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য হাত মিলিয়ে এগিয়ে আসে, আর সেই ঐক্যের আহ্বানই ছিল এমপি হারুন অর রশিদ হারুন সাহেবের বক্তব্যের মূল সুর।









