পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চলতি মৌসুমে সুপারির ফলন কম হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। উপজেলার অন্যতম অর্থকরী ফসল সুপারি। এ ফসলের ওপর নির্ভর করে অনেক কৃষকের জীবিকা। প্রতিবছর সুপারি বিক্রি করে সংসারের খরচ মেটানোর পাশাপাশি কৃষিকাজে বিনিয়োগ করেন তাঁরা। তবে এবার ফলন কম হওয়ায় প্রত্যাশিত আয় নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন চাষিরা।
স্থানীয় চাষিদের মতে, বৈরী আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, অতিবৃষ্টি, গাছে রোগবালাই ও পরাগায়নজনিত সমস্যার কারণে সুপারির ফলন কমে যেতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ উঠে আসা এবং কাঙ্ক্ষিত লাভ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা
উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নে শুপারি চাষি মো:কালু হাওলাদার জানান, আমার ১০ বিগা শুপারির বাগানে ফলন কম হয়েছে। তবে ফলন কম হওয়ায় বাজারে দাম মোটামুটি রয়েছে। কিন্তু এই দাম পরবর্তী সময়ে থাকবে কি না, তা নিয়ে আমরা শঙ্কায় আছি।”
উপজেলার বাগান মালিক বাবুল শিকদার বলেন, “গত বছর আমার বাগানে সুপারির ফলন বেশি হয়েছিল, কিন্তু দাম কম পেয়েছি। তারপরও লাভের মুখ দেখেছি। এবার ফলন কম হয়েছে। ঠিকমতো দাম পাব কি না, তা নিয়ে হতাশায় ভুগছি। শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত লাভ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।”
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইন্দুরকানী উপজেলা গাজীরহাট গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা চাষিদের কাছ থেকে সুপারি কিনছেন। তবে বাইরের ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। বাজারে সুপারির দাম মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে প্রতি ১০০টি পাকা সুপারি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং কাঁচা সুপারি ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয় বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
বাজারের সুপারি ব্যবসায়ী মো.ইয়াসিন শিকদার বলেন, “এ বছর ফলন কম হলেও চাহিদার তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় সুপারির দাম কিছুটা বেশি রয়েছে। তবে পুরো মৌসুমে কাঙ্খিত লাভ পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে শুপারি চাষিরা









