সালমান শাহ অপমৃত্যু মামলা এখন রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়। এতে আসামি করা হয়েছে খল অভিনেতা ডনকে। তারপর থেকেই নীরব তিনি। মুঠোফোনও বন্ধ। তবে ডনের পুরনো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সালমানের মৃত্যুর দিন কোথায় ছিলেন জানিয়েছেন সেখানে।
শাহরিয়ার নাজিম জয়ের অনুষ্ঠান সেন্সর অব হিউমারে এসেছিলেন ডন। সেখানে ডন সেদিন তার অবস্থান সম্পর্কে জানান, ঘটনার সপ্তাহখানেক আগে ডন এবং সালমান একসাথেই ছিলেন।
সালমান শাহ অপমৃত্যু মামলা এখন রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়। এতে আসামি করা হয়েছে খল অভিনেতা ডনকে। তারপর থেকেই নীরব তিনি। মুঠোফোনও বন্ধ। তবে ডনের পুরনো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সালমানের মৃত্যুর দিন কোথায় ছিলেন জানিয়েছেন সেখানে।
শাহরিয়ার নাজিম জয়ের অনুষ্ঠান সেন্সর অব হিউমারে এসেছিলেন ডন। সেখানে ডন সেদিন তার অবস্থান সম্পর্কে জানান, ঘটনার সপ্তাহখানেক আগে ডন এবং সালমান একসাথেই ছিলেন।
ডন বলেন, ‘সালমান শাহ তার শেষ দিনগুলোতে পুরো আপসেট এবং ফ্রাস্ট্রেটেড ছিলেন। ‘সালমান শাহ একজন সুপারস্টার হওয়া সত্ত্বেও, এত টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি থাকা সত্ত্বেও কেন আত্মহত্যা করবেন। ওকে আমি তো ছয়-সাত মাসের মধ্যে স্থিরতা দেখিনি। স্থিরভাবে কথা বলবে, বসে থাকবে, এরকম দেখিনি।’
ডনের ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নানারকম মন্তব্য করছেন নেটাগরিকেরা। তদের অধিকাংশই প্রকাশ করছেন ক্ষোভ। কেউ লিখেছেন, ‘ডন, আপনার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, পানি খেয়ে নেন। সামনে বিপদ আছে।’কারও কথায়, ‘এই লোক হত্যার সাথে জড়িত ১০০%।’
১৯৯৬ সালে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন অভিনেতার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু সালমানের পরিবার দাবি করে, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা নয়। অবশেষে গত ২০ অক্টোবর হত্যা মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
৩০ আগস্ট ডনকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার গাড়িতে উঠিয়ে দিয়েছিলেন সালমান শাহ। এরপর ১ থেকে ৭ তারিখ তিনি বগুড়াতেই ছিলেন কারণ বাস ধর্মঘটের কারণে ঢাকায় ফিরতে পারেননি তিনি। ৬ তারিখ সন্ধ্যা ৭টার খবরে ডন জানতে পারেন, সালমান শাহ আর নেই।
ডন বলেন, ‘সালমান শাহ তার শেষ দিনগুলোতে পুরো আপসেট এবং ফ্রাস্ট্রেটেড ছিলেন। ‘সালমান শাহ একজন সুপারস্টার হওয়া সত্ত্বেও, এত টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি থাকা সত্ত্বেও কেন আত্মহত্যা করবেন। ওকে আমি তো ছয়-সাত মাসের মধ্যে স্থিরতা দেখিনি। স্থিরভাবে কথা বলবে, বসে থাকবে, এরকম দেখিনি।’
১৯৯৬ সালে সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন অভিনেতার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। কিন্তু সালমানের পরিবার দাবি করে, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা নয়। অবশেষে গত ২০ অক্টোবর হত্যা মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।









