কারাবন্দী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এই গুজবটি আরও জোরাল হয়েছে যখন ইমরান খানের তিন বোন রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে তাদের ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য গিয়ে পুলিশের হাতে ‘নৃশংস মারধরের’ শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ইমরান খানকে কারাগারের ভেতরে রহস্যজনকভাবে হত্যা করা হয়েছে।
ইমরান খানের তিন বোন, নরীন খান, আলীমা খান ও উজমা খান, অভিযোগ করেছেন, তারা আদিয়ালা কারাগারের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চাইছিলেন। এসময় পুলিশ তাদের এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়।
তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সদস্যদের দাবি, পুলিশ কর্মীরা কোনো উস্কানি ছাড়াই তাদের ওপর আক্রমণ করে।
ইমরান খানের বোন নওরীন নিয়াজি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন এবং কোনো বেআইনি কাজ করেননি। তবুও, কোনো সতর্কতা ছাড়াই রাস্তার আলো বন্ধ করে একটি নৃশংস আক্রমণ চালানো হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ৭১ বছর বয়সে, আমার চুল ধরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এবং রাস্তার ওপারে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
পিটিআই অভিযোগ করেছে, গত তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইমরান খানের সঙ্গে তার তিন বোনকে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি।
এই দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষাৎ করতে না দেওয়ায় এবং তার বোনেদের ওপর হামলার ঘটনার পর ইমরান খান সমর্থকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে তাঁকে কারাগারে খুন করা হয়েছে।
পিটিআই এই ঘটনায় ইমরানের তিন বোন ও সমর্থকদের ওপর চালানো ‘নৃশংস’ পুলিশি হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সাল থেকে ইমরান খান রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী আছেন।









