লক্ষ্মীপুরে প্রকাশ্যে জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাইদের বিরুদ্ধে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গংগাপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এসময় বাগানে থাকা বিভিন্ন গাছ কেটে বসতঘর করার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা।
এদিকে, বেল্লাল হোসেন স্ব-পরিবারে সৌদি আরবে ওমরা হজ্জ পালনে থাকায় ভুক্তভোগীর স্বজনরা জরুরি কল সেন্টার ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়।
জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার গংগাপুর গ্রামের ফজলুর করিমের ছেলে বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে খরিদ সূত্রে মালিক হয়ে জমিটি ভোগ দখল করছেন। পূর্বে কখনো জমিটি নিয়ে বিরোধ হয়নি। এখন বেল্লাল হোসেন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায়, জমি দখলের চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। তারা হলেন, একই এলাকার ফজলুর করিমের ছেলে হেলাল হোসেন ও কামাল হোসেন। সম্পর্কে তারা একে অপরের ভাই।
বেল্লাল হোসেনের স্বজন, জেলার রায়পুর পৌরসভার বাসিন্দা আবদুর রহমান বলেন, স্ব-পরিবারে সৌদিতে থাকায় হেলাল-কামাল দলবদ্ধ হয়ে জোরপূর্বক জমিটি দখলের চেষ্টা করে। বাগানে গাছ কেটে টিন দিয়ে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ তাৎক্ষণিক গিয়ে কাজটি বন্ধ করে দেয়।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের নিষেদের পরেও অভিযুক্তরা জমি দখলের চেষ্টা করছে। বাগানের পার্শ্ববর্তী জায়গায় টিন দিয়ে বেড়া তৈরি করছে। যেকোন সময় ঘর নির্মাণের বাকি কাজ সম্পন্ন করতে পারে। কারন বর্তমানে বাড়িতে বেল্লালদের কেউ নেই।
সৌদি আরব থেকে মুঠোফোনে বেল্লাল হোসেন বলেন, আমি আমার পরিবার ওমরাহ করতে মক্কায় এসেছি। কোন কারণ ছাড়াই হেলাল-কামালরা দলবদ্ধ হয়ে আমার ১৫-২০টি সুপারি গাছ কেটে বসতঘর করছে। আমি প্রশাসনের কাছে তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করি।
এবিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ মুঠোফোনে বলেন,“৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে ফোর্স পাঠানো হয়েছে। জায়গায় জমির বিষয়ে আমাদের কোন কাজ নাই। সাময়িক মারামারি যেন না হয় তাই আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়ে আসছি। যার জায়গা তিনি দেওয়ানী আদালতে যাবে। অভিযোগ ছাড়া আমরা একটা লোকের কাজ বন্ধ করতে পারিনা।









