ফান্ডের অভাবে রাস্তা মেরামতের কাজ করা যাচ্ছে না, এমনকি আগে যারা কাজ করেছে তাদেরও বিল ঠিকমতো দেয়া যাচ্ছে না বললেন এক জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী। সারা দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক। দীর্ঘদিন রাস্তা সংস্কারের কাজ বন্ধ রয়েছে টাকার অভাবে। প্রতি বছরে বছরেই গ্রামের রাস্তাগুলো মেরামত করা হতো, কিন্তু গত দুই বছর ধরে এই মেরামত কাজ করা যাচ্ছে না ফান্ডের অভাবে। শুধু গ্রামে নয় শহরের অলিগলিতে যে সকল রাস্তা দিয়ে রিকশা চলাচল করে সেগুলোও চলাচলের অনুপোযোগী। রিকশায় বসলে যাত্রীদের নাজুক অবস্থা। মহাসড়কের অবস্থাও প্রায় একই।
কয়েকজন উপজেলা প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , এলজিইডি থেকে প্রতিবছর একটা বরাদ্দ আসতো ভাঙাচোরা রাস্তা ঠিক করার জন্য, কিন্তু সেটা বিগত দুই বছর আর হচ্ছে না এ কারণে উপজেলা পর্যায়ের প্রকৌশলীদের কাজ নেই বললেই চলে। বারবার বিভিন্ন রাস্তার এস্টিমেট পাঠালেও সেটা পাস হচ্ছে না আর টাকা না থাকলে পাস হবেই বা কিভাবে- আক্ষেপ করে বললেন একজন উপজেলা প্রকৌশলী।
গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কোন রাজনীতি বোঝে না, শুধু জীবনের নিরাপত্তা এবং চলাচলের উপযোগী রাস্তা ও বিদ্যুৎ চায়। সারাদেশের ভাঙ্গাচুরা রাস্তাগুলো নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সরকারের উচিত আগে গ্রামীণ অবকাঠামো ঠিক করা। ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে গ্রামের মানুষের কষ্টের উপার্জিত বিভিন্ন প্রকার ফসল হাটে বাজারে নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে, এই কারণে সাধারণ কৃষকরা চান অতি দ্রুত যেন রাস্তাঘাট মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করা হয়।









