পঞ্চগড়ে ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকার ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে পঞ্চগড় এলজিইডি কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। উদ্বোধন শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউল আলম, পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মনোজ কুমার আচার্য্যসহ এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৭ হাজার ১১৭ টাকা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একনেকের বৈঠকে ১ হাজার ৪৯২ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের এই তিন জেলার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে গতি আসবে।
এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কুল-কলেজ, সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে এলজিইডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ঘাটতি যেন না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সম্প্রতি বোদা উপজেলার ঝলই শালশিরি এলাকায় একটি সেতুর উদ্বোধনে গিয়ে দেখি, সেতুর প্রস্থ ১৮ ফুট হলেও সংযোগ সড়কের প্রস্থ মাত্র ১২ ফুট এবং সেতুর পর আর কোনো রাস্তা নেই। এ ধরনের সমন্বয়হীন উন্নয়ন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে না। ভবিষ্যতে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং অতীতে যেসব অনিয়ম হয়েছে, সেগুলোও চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে টেকসই ও কার্যকর অবকাঠামো নির্মাণে সরকার বদ্ধপরিকর।









