রংপুরের পীরগাছায় অবৈধ মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ার জেরে এক নারী ও তাঁর বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে জখম এবং বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বসতঘর হারিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ভুক্তভোগী জমিলা খাতুন বাদী হয়ে অভিযুক্ত রিনা বেগমসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে পীরগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার অনন্তরাম উচ্চাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জমিলা খাতুন স্থানীয় দেবোত্তর জমি লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ সেখানে বসবাস করে আসছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, এলাকায় মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রিনা বেগম ও তাঁর সহযোগীরা জমিলা খাতুনের বসতঘরের আশপাশে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বেচাকেনা চালিয়ে আসছিলেন। এর প্রতিবাদ করায় অভিযুক্তরা তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এরই জেরে গত ১৫ আগস্ট রাতে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমিলা খাতুনের বাড়িতে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করে মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর মা আতবজান বেগমকেও (৭০) পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা পরিবারটির বসতঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেন।
পরে আহতদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া









