রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা মডেল মসজিদের যাতায়াতের কোনো রাস্তা না থাকায় প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ ও সাধারণ মুসল্লিরা। পর্যাপ্ত রাস্তার অভাবে প্রতিনিয়ত যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহানোর পাশাপাশি মাঝে মাঝেই পা পিছলে পড়ে গিয়ে মুসল্লিদের আহতের ঘটনাও ঘটছে।
সরেজমিনে জানা যায়, কালুখালী উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে এবং ২০২৩ সালে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের ৩ বছর পার হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত মসজিদে যাতায়াতের জন্য সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো রাস্তা তৈরি করা হয়নি। মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের চারপাশের বাউন্ডারি দেওয়াল এবং যাতায়াতের রাস্তার কাজের জন্য প্রায় ১ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকার একটি বাজেট আজ থেকে প্রায় দেড় বছর আগে পাস হয়েছিল। বাজেট পাসের পর কাজ শুরু হলেও অজ্ঞাত কারণে বর্তমানে সেই উন্নয়নমূলক কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এদিকে চলতি বর্ষা মৌসুমে তীব্র বৃষ্টির কারণে চারপাশের মাটি ধসে গিয়ে মসজিদের প্রবেশ পথটি একপ্রকার চলাচলের অনুপযোগী ও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। কর্দমাক্ত ও ধসে যাওয়া পথ দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত মুসল্লিরা পা পিছলে পড়ে যাচ্ছেন এবং বয়োবৃদ্ধসহ অনেকেই আহত হওয়ার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিকার হচ্ছেন । সুন্দর একটি রাস্তা এবং রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত আলোর অভাবে অনেকেই মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে চান না।
এই চরম অব্যবস্থাপনা ও রাস্তার কাজ বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এবং এই মসজিদ নির্মাণ ও তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পবিত্র এই উপজেলা মডেল মসজিদ যাতে মুসল্লিরা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন, সেজন্য কালুখালীর সাধারণ জনগণ দ্রুত রাস্তাটি নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।









