রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের রাজধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের পরিচিতি সভা এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) দুপুরে উপজেলার রাজধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর মোল্লার স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অভিভাবকদের পক্ষ থেকে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পরিচিতি তুলে ধরা হয় মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মোল্লা (আরজু)-এর। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান। এছাড়া অভিভাবক প্রতিনিধি ফারুক আহমেদ এবং শিক্ষক প্রতিনিধি গোবিন্দ ভদ্রসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যদেরও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বালিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, মোঃ হাফিজুর রহমান এবং নবগঠিত সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মোল্লা (আরজু)।
লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মুহাম্মদ রোকন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক ফারুক হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাওছার করিম।
এসময় আরও বক্তব্য দেন আজমির হোসেন খান, হাফিজুর রহমান মাস্টার, সাবেক শিক্ষক আব্দুস সাত্তার মাস্টার, আব্দুর রাজ্জাক এবং মনিরুল ইসলাম মিল্টন।
বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির প্রতি সার্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। নবগঠিত কমিটির সদস্যরাও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নবগঠিত সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মোল্লা (আরজু) তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ সময় আগে আমাদের পরিবার থেকে রাজধরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এবং শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের কারণে বিদ্যালয়টি সুনামের সাথে পদচারণা করে আসছিলো। বিগত সরকার আমলে শিক্ষার মান এমন নিম্নগামী হয়েছে যা পুষিয়ে উঠতে অনেক শ্রম দিতে হবে। অভিভাবকগণ একটু সন্তানদের প্রতি খেয়াল করবেন। আর শিক্ষকগণ নিয়মিত পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়ন করবেন বলে আশা রাখি। অনেক শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে স্কলুের পোষাক তৈরি করতে পারে না। এমন পঞ্চাশ জন শিক্ষার্থীর নাম দিলে তিনি তার নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল ড্রেস প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেছেন।








