ছয়টি অবসায়ণাধীন নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনে (এনবিএফআই) ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীরা আটকে থাকা অর্থ দ্রুত ফেরত প্রদানের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করেছেন।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শতাধিক ভুক্তভোগী এ মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের ছয়টি অবসায়নযোগ্য নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনে (এনবিএফআই) ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজারের অধিক আমানতকারীর প্রতিনিধিত্ব করছি আমরা। দীর্ঘ সাত বছর ধরে আমাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয় এসব প্রতিষ্ঠানে আটকে থাকায় আমরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তা, মানসিক চাপ এবং মানবিক সংকটের মধ্যে দিন অতিবাহিত করছি।
বলা হয়, অনেক আমানতকারী ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পর্যাপ্ত অর্থের অভাবে অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন না। দুঃখজনকভাবে, চিকিৎসার অভাবে ইতোমধ্যে একাধিক আমানতকারী মৃত্যুবরণ করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক ও এনবিএফআই-এর নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে জনগণের আমানত সুরক্ষার সর্বোচ্চ দায়িত্ব বহন করে।
এই প্রেক্ষাপটে আমানতকারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত দাবিসমূহ উপস্থাপন করা হয়েছে
আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের জন্য মাননীয় গভর্নর মহোদয় কর্তৃক পূর্বে ঘোষিত জুলাই ২০২৬ ডেডলাইন অনুযায়ী সুস্পষ্ট, বাস্তবসম্মত ও কার্যকর রোডম্যাপ অবিলম্বে ঘোষণা করতে হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি-আমানতকারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ ফেরতের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বক্তারা বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আর্থিক নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের আমানত সুরক্ষায় দ্রুত, কার্যকর ও মানবিক ভূমিকা পালন করবে। তাই এই গভীর সংকট নিরসনে আপনার জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ একান্তভাবে কামনা করছি।”









