রাজবাড়ীর কালুখালীর সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিনের সহযোগিতায় খাস খতিয়ানভুক্ত ফসলী জমিতে তাল পুকুর কেটে চমক দেখিয়েছে ঝন্টু নামের একজন।
যদিও ঐ জমির দাবিদার সনেকা বেগম নামের এক অসহায় নারী। সনেকা কালুখালীর মৃগী ইউনিয়নের কুয়োত আলীর কন্যা। গত ১১ মার্চ ২০২৬ ইং সনেকা ও তার স্বজনরা কালুখালীর বানজানা মৌজার বিএস ৬০৪,৬৭৬,৬৭৭ ও ৭১৭ নং দাগে নিজেদের রোপনকৃত জমিতে দাঁড়িয়ে মানব বন্ধন কর্মসুচি পালন করে।মানব বন্ধন চলাকালে সনেকা দাবী করেন, আমার বাবা ৫০ বছর ধরে এই জমির মালিক। এবছরও আমরা জমিতে খেসারী কলাই বোপন করেছি। কিন্তু ঝন্টু নামের প্রভাবশালী ব্যক্তি আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছে।
মানব বন্ধনের কদিন পরই মৃগী ইউনিয়নের বানজানা গ্রামের ইসমাহিল শেখের পুত্র ঝন্টু শেখ ওই জমির লীজ গ্রহন করেন।
একই সাথে ঝন্টু শেখ লীজকৃত কলাইয়ের জমি পুকুর দাবী করে তা পুনঃখননের জন্য কালুখালীর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিনের নিকট আবেদন করেন। তিনি সরেজমিন ঘুরেও আসেন। অতি চৌকস চোখে দেখেও আসেন কলাই রোপনকৃত কৃষি জমিটি ।পরে তিনি কালুখালীর বানজানা মৌজার বিএস ৬০৪,৬৭৬,৬৭৭ ও ৭১৭ নং দাগে পুকুর পুনঃ খননের অনুমতি দেন।
রাতারাতি শুরু হয় মাটি বেচার উৎসব। ১৫ দিনেই ঝন্টু বিক্রি করে ৬ লক্ষ টাকার মাটি।
এই অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে সনেকা বেগম থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বহু ঘুরেছে, কিন্তু কাজ হয়নি।
সরকারী কৃষি জমির শ্রেনী পরিবর্তনের জন্য একমাত্র ভুমি কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারে।কিন্তু তাকে না জানিয়ে শ্রেনী পরিবর্তন করা আইনের লংঘন।
কৃষি জমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৬ অনুযায়ী যথাযথ কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া জমির শ্রেনী পরিবর্তন করলে ৬ মাসের কারাদন্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।









