টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের ডাঃ শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এক নারী শিক্ষিকাকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত একজন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, যিনি বিদ্যালয়ের এক দপ্তরির ছেলে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়জুড়ে চরম উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার ক্লাস চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে ওই নারী শিক্ষিকার সঙ্গে শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শিক্ষিকার ওপর শারীরিক হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, সে শিক্ষিকাকে চড় ও ঘুষি মেরে লাঞ্ছিত করে।
অভিযুক্ত একজন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, যিনি বিদ্যালয়ের এক দপ্তরির ছেলে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়জুড়ে চরম উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার ক্লাস চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে ওই নারী শিক্ষিকার সঙ্গে শিক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শিক্ষিকার ওপর শারীরিক হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, সে শিক্ষিকাকে চড় ও ঘুষি মেরে লাঞ্ছিত করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সবার সামনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে পড়েন। বিদ্যালয়ের পরিবেশ মুহূর্তেই থমথমে ও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ওঠে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষিকা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বিদ্যালয়ে আর ফিরে না আসার এবং চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক ও সচেতন মহল বিষয়টি মীমাংসা বা সমাধানের চেষ্টা করলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হাজির হয়নি।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষকের ওপর শিক্ষার্থীর এমন হামলার ঘটনা শিক্ষাঙ্গনের শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।









