দ্বীপ জেলা ভোলার প্রত্যন্ত অঞ্চল দৌলতখান উপজেলার ৩০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ছেয়ে আছে দীর্ঘদিনের দুর্নীতিও জরাজীর্ণতা। কতিপয় অসাধু চক্র হাসপাতালটিতে প্রতিনিয়ত দুর্নীতি করে যাচ্ছে।
বাৎসরিক এম এস আর এর টেন্ডার এবং পর্যাপ্ত সকল কাজের বরাদ্দ পাওয়ার পরেও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কোন মালামাল নেই , নেই কোন সার্জিক্যাল আইটেম ও ঔষধপত্র। শুধু ইডিসিএল এর আইটেম দিয়ে চালাচ্ছে হাসপাতাল। হাসপাতালে নেই কোন স্টেশনারি মালামাল নেই কোন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য ওয়াশিং বা ক্লিনিং আইটেম, অথচ প্রতিবছর পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়া হয়। কোন মালামাল না নিয়েই বিল ভাউচার করে হসপিটাল, সামান্য এন্টিহিসটামিন এবং এন্টিবায়োটিক ঔষধ পর্যন্ত রোগীদের কে বাহির থেকে কিনতে হয় অথচ ইডিসিএল বহির্ভূত ঔষধের টেন্ডার প্রতিবছর হয়। কোন ঔষধ না কিনেই ঠিকাদারকে বিল প্রদান করে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয় সরকারিভাবে রি-এজেন্ট এর জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকার পরও নরমাল টেস্টগুলো করার জন্য বাইরের ক্লিনিকে পাঠানো হয়। দালাল চক্র আর হাসপাতাল সিন্ডিকেট মিলে এই সমস্ত অপকর্ম পরিচালনা করে।
শুধু তাই নয়, রোগীদের কে তারা সরকারি হাসপাতালে না দেখিয়ে আশেপাশের চেম্বারে পাঠায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পেটিকেশের মাধ্যমে কোন প্রকার মালামাল না ক্রয় করে আনুষাঙ্গিক সমস্ত টাকা খরচ করে। এই ব্যাপারে অতীতে অনেক অভিযোগ করেও কোন ফায়দা হয়নি। দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার চক্র ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ চালিয়ে যাচ্ছে এই সকল অপকর্ম। জনগণের প্রত্যাশা-এই সমস্ত অপকর্মের সাথে জড়িত দুর্নীতিবাজ কর্ম কর্তাদেরকে অন্যত্র বদলি করে তদন্তের আওতায় আনলে হসপিটালের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আসবে।









