জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট হাসপাতাল মহাখালীতে ২০২৫ – ২৬ অর্থ বছরের হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের পথ্য সরবরাহের টেন্ডার এ বড় রকমের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যদিও রোগীর পথ্য সরবরাহের ঠিকাদার নিয়োগ নিয়ে অতীতে অনেক দুর্নাম ও অভিযোগ রয়েছে।
গত একুশে আগস্ট 2025-26 অর্থবছরের হাসপাতালে ভর্তি কৃত রোগীদের পথ সরবরাহের টেন্ডারের জমা দেওয়ার তারিখ ছিল। টেন্ডার ওপেনিং এ দেখা যায় ,মোট ৯টি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। সেখানে ইয়েম এন্টারপ্রাইজ প্রথম লয়েস্ট ,জি কে জি ইন্টারন্যাশনাল দ্বিতীয় নিম্নদর ,মেসার্স আফরোজা এন্টারপ্রাইজ তৃতীয় নিম্নদর, ফারহানা এন্টারপ্রাইজ চতুর্থ নিম্নদর, মিতুলএন্টারপ্রাইজ পঞ্চম নিম্নদর, নবী এন্টারপ্রাইজ ষষ্ঠ নিম্নদর, খান এন্ড ব্রাদার্স সপ্তম নিম্নদর, চিত্রা এন্টারপ্রাইজ অষ্টম নিম্নদর এবং মেসার্স ইন্টারন্যাশনাল নবম নিম্ন দরদাতা। টানা দুই মাস হয়ে গেল টেন্ডার ড্রপিং হয়েছে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত বা কোন প্রতিষ্ঠানকে নোয়া দেয়নি ক্যান্সার হাসপাতাল। তবে অফিসের কিছু দুর্নীতিবাজ চক্র প্রথম , দ্বিতীয় ও তৃতীয় নিম্ন দরদাতাদের কোন ত্রুটি ছাড়াই নন রেসপনসিভ করিয়া ৪ নম্বর দরদাতা ফারহানা এন্টারপ্রাইজ কে কাজ দেয়ার জন্য মহাপরিচালকের কাছে প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য ফাইল পাঠিয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসনের সাথে ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করার পরেও যোগাযোগ করা যায়নি। মূল্যায়নের পূর্বে কোন প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র অনলাইনে অথবা অফিশিয়াল মেইলের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই না করিয়া এভাবে নিম্নদর দাতা কে কাজ না দেয়া সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত ও সরকারের আর্থিক অপচয় এবং আপত্তিকর। এভাবে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই না করিয়া স্থানীয় পেশী শক্তির চাপে অযোগ্য ফার্মকে কাজ দেয়া পিপিআর বহির্ভূত।ইজিপি টেন্ডার করার পরেও যদি এভাবে অনিয়ম হয় তাহলে ইজিপিতে দরপত্র আহ্বান করিয়া আগের মতই দুর্নীতি বহাল বলে জনশ্রুতি রহিয়াছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর নির্দেশনা অমান্য করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দিয়ে অনুমোদন করিয়ে নোয়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ক্যান্সার হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করার পরে এপিপি অনুমোদন করিতে হবে এবং টেন্ডার আহ্বান করিতে হবে। টেন্ডারে অনিয়ম হলে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক রি- টেন্ডার করিয়া যোগ্য ব্যক্তিকে কাজ দেওয়া এবং সরকারের অর্থ অপচয় করা উচিত বলে সংশ্লিষ্ট অনেকেই মন্তব্য করেছেন।









