টানা কয়েকদিনের অস্বাভাবিক ভারী বর্ষণে টেকেরহাট–গোপালগঞ্জ–ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে শোল্ডার ধস, গর্ত সৃষ্টি ও মাটি সরে যাওয়ার মতো ক্ষয়ক্ষতি দেখা দিলেও গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ এবং নির্মাণকাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওটিবিএল এর নিরলস প্রচেষ্টায় সড়কটি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো মেরামত করায় যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হয়নি।
জানা গেছে, যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মহাসড়কটির উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে সওজের তত্ত্বাবধানে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) অনুজ কুমার দে বলেন, সাম্প্রতিক টানা ভারী বর্ষণে মহাসড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি ‘জাতীয় গৃহে বিদ্যুৎ’ কর্মসূচির আওতায় প্রয়োজনীয় সমন্বয় ছাড়াই সড়কের শোল্ডারের খুব কাছাকাছি বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করায় ভারী বৃষ্টিতে কিছু খুঁটি হেলে পড়েছে বা উপড়ে গেছে, ফলে শোল্ডারের ক্ষতি বেড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জনদুর্ভোগ কমাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো মেরামতের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টি কমে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সওজের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাট ও সংস্কারকাজ শুরু করেন। দ্রুত পদক্ষেপের ফলে বর্তমানে টেকেরহাট–গোপালগঞ্জ–ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কে যানবাহন স্বাভাবিক ও নিরাপদে চলাচল করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবহন চালকদের ভাষ্য, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও গোপালগঞ্জ সওজ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তাৎক্ষণিক উদ্যোগে সড়কটি সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। তাদের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।









