লুমিনাস হাউজিং লিঃ ৫২/এ মধ্য বাড্ডাস্থিত লুমিনাস ফাতেমা হাইটস নামে জয়েন ভেঞ্চারে একটি আবাসিক ভবনের নির্মান কাজ পরিচালনা করে আসছে। প্রকল্পটি বর্তমানে হস্তান্তরের পর্যায়ে এবং ৪টি পরিবার বসবাস করছে। প্রকল্পটির জমির মালিক আপন সহোদর দুই ভাই মুশফিকুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমান। লুমিনাস হাউজিং এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর আলমগীর হোসেন বাড্ডা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
উল্লেখ্য যে, জমির মালিক দুই ভাই এর মধ্য ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান এর ঘর জামাই আল আমিন প্রায় দীর্ঘ ১ বছরের ও অধিক সময় ধরে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি সহ প্রকল্পের কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করে আসছে। সে সর্বদা প্রকল্পের ম্যানাজার, ইঞ্জিনিয়ার, মিস্ত্রি, লেবার সবার সাথে চরম দুর্ব্যাবহার সহ হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। এ ব্যাপারে জমির মূল মালিকগণকে বহুবার অবগত করা হয়ছে। বিশেষ করে অভিভাবক হিসাবে বড় ভাই মুশফিকুর রহমান অনেক চেষ্টা করেও নিভৃত করতে পারছেন না এবং উক্ত আল আমিন তার চাচা শ্বশুরেরও পাঁচটি ফ্ল্যাট আত্মসাৎ করতে তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে বাড্ডা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, আলামিন বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কোম্পানীর নিকট অন্যায় দাবীসহ মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নেবার অযুহাতে বহিরাগত দিয়েও চাপ সৃষ্টি করে আসছে।
এমনকি প্রজেক্টে কর্মরত স্টাফকে হুমকি প্রদান সহ শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করারও হুমকি দিয়ে আসছে এবং এই বিষয়ে বড় ভাই মুশফিকুর রহমানও অবগত। এই সব বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা করেও সমাধান হচ্ছে না। ১২/০৫/২৬ ইং আনুমানিক দুপুর ১২:৩০ দিকে পনুরায় আল আমিন কিছু বহিরাগত লোক নিয়ে সাইডে হুমকি ধামকি ও কাজ বন্ধ করে দেয়া সহ আমার কর্মচারীরকে বেধরক মারধর করে ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এতে বসবাসরত পরিবার গুলির মধ্যেও আতংক বিরাজমান এবং প্রজেক্টির কাজ বন্ধ করে দেয়া ও সবাইকে জানে মেরে ফেলব বলেও শাসায়। শুধু তাই নয়, আলামিন তার বহিরাগত লোক দিয়ে আমার শ্রমিক সায়েদ কে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তার কাছ থেকে টাকা আদায় করে ছেড়ে দেয় । বিষয়টি জানার সাথে সাথে আমি জরুরি সেবা (৯৯৯) অবগত করি যার অভিযোগ নাম্বার (CFS65168201) অভিযোগের সময় ৩:৪৯ ও পুনরায় ৪:৩৩ মিনিটে, তখন দুষ্ককৃতিকারীরা সাইডে অবস্থান করছিলো। যা বিল্ডিং এর স্থাপিত সি.সি টিভিতে প্রজেক্টই রেকর্ড করা আছে।
উক্ত ঘরজামাই আল আমিনের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লুমিনাস হাউসিং এবং আল আমিনের চাচা শ্বশুর বাডডা থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।









