কক্সবাজারের ৪ সংদদীয় আসনে ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ও বাকি ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান গত শুক্র ও শনিবার দুইদিন পূর্বনির্ধারিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন।
গত শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজার-১, চকরিয়া-পেকুয়া আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৫ প্রার্থীর মধ্যে ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা। একই সঙ্গে অপর ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ আসনটিতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী মো. আব্দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। অবৈধ ঘোষণা হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৭ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল প্রার্থী হলেন, জামায়াতের কেন্দ্রিয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলা।বৈধ হয়েছেন, বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিশের প্রার্থী ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম।
শনিবার সকালে কক্সবাজার-৩, কক্সবাজার-সদর, রামু-ঈদগাঁও আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৬ প্রার্থীর মধ্যে ভোটার স্বাক্ষরকারি তথ্যে ভুল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।একই আসনের অপর ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে। এরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, জামায়াতের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম, লেবার পার্টির প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া, আমজনতা দলের প্রার্থী নুরুল আবছার।
এরপরই কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। এতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৫ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুল হক, জাতীয়তাবাদি গণতন্ত্রিক আন্দোলন এনডিএম এর প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ, লেবারেল ডেমোক্রিটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আরাফাত।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি।
আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি।
নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।









