রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন ব্যাপারী পাড়ায় জনৈক ভুক্তভোগী ইশতিয়াক আহাম্মেদ রুমীর পৈতৃক সম্পত্তিতে দোকান ভাড়া দিয়ে আসছে বেশ কয়েক বছর যাবত। সম্প্রতি উক্ত দোকানে চাঁদাবাজদের অশুভ দৃষ্টি পড়েছে বলে জানা গেছে । যার পরিপ্রেক্ষিতে দোকান ভাংচুর করে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা।
দোকান মালিক উপায় না দেখে ২৯ শে মার্চ ২০২৬ তারিখে ক্ষিলক্ষেত থানায় একটি চাঁদাবাজীর মামলা করেন। দোকান মালিক এবং এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই চাঁদাবাজেরা এই এলাকা তথা ক্ষিলক্ষেতের চিহ্নিত অপরাধী চক্র। যাদের নামে আতংকিত সাধারণ মানুষ। এই চক্রের উল্লেখযোগ্য সদস্যরা হলেন সাইফ সূজা ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুস,কামরুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, শিমুল, রাজীব ও তানভীর উল্লেখযোগ্য। যাদের নামে খিলক্ষেত থানায় এই মামলাটি দায়ের হয়েছে। যাদের অভিবাবক স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা বলে এই চাঁদাবাজেরা পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। যাদের বেশীর ভাগ নেশায় আসক্ত কিশোর গাং এর সদস্য । বাদীর অভিযোগ এই চক্রটি বেশ কয়েকদিন যাবত চাদার জন্যে দোকানের মালিক এবং দোকানদারদের হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ২৮ শে মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে আসামীরা সংগবদ্ধ হয়ে একাধিক দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং মালামালের ক্ষতি সাধন করে। চাদাবাজেরা প্রত্যেক দোকানের বিপরীতে প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে দাবী করে বলে মামলা উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের রিপোর্টার সরেজমিনে গিয়ে ঘটনার সততা নিশ্চিত হন। বিষয়টি নিয়ে খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে মামলার আইওকে ফোন দিলেও তিনিও ফোন রিসিভ না করায় থানার ডিউটি অফিসারকে আমাদের প্রতিনিধি ফোন করে আসামী গ্রেফতার এবং মামলার অগ্রগতি জানতে চাইলে, ডিউটি অফিসার কিছু জানেন না এমনটি জানিয়েছেন।
একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই চক্রটি ক্ষমতাসীনদের নাম ভাংগিয়ে খিলক্ষেত এলাকায় চাঁদাবাজী সহ নানান অপরাধের সাথে জড়িত। এদের দ্রুত গ্রেফতারের জোরালো দাবী এলাকাবাসীদের।









