রাজবাড়ীর কালুখালীতে ভিজিএফ কার্ডের চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগে ২ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের উপসচিব মোঃ আব্দুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাচিনা পারভীন নিলুফা ও মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মদন কুমার প্রামাণিক।
তবে ২ চেয়ারম্যান তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাচিনা পারভীন নিলুফা জানান, আমার মামার মৃত্যুজনিত কারনে চাউল বিতরন কালে আমি ইউনিয়ন পরিষদে থাকতে পারিনি। সরকারী তদারকী কর্মকর্তা আফরোজা চৌধুরী ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রবিউল ইসলাম উপস্থিত থেকে চাউল বিতরন করেছে।বিতরনকালে অনিয়ম হওয়া ৯৭ টি কার্ডও উদ্ধার হয়েছে।
তবে এসবের সাথে জড়িতদের প্রমান পাওয়ার পরও আমাকে অপরাধী বানানো হয়েছে।এটা আমার প্রতি জুলুম। দুই চেয়ারম্যান প্রতিবেদক কে জানান- আমাদেরকে কোন চিঠি দেয়া হয়নি, শোকজ করা হয়নি, এমনকি আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেয়া হয়নি, সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে আমাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মদাপুরের চেয়ারম্যান মদন কুমার প্রামাণিক জানান, ওইদিন আমি পূজার জন্য উপোষ ছিলাম। তদারকি কর্মকর্তা আতাহার আলী ও সচিব ফরহাদের নিকট চাল বুঝে দিয়ে পূজার কাজে বাড়ীতে আসি। অনিয়ম করলে তারা করেছে।অথচ তাদের আড়াল করে আমাকে দোষী করা হচ্ছে। এটা অমানবিক কাজ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মহামান্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান মদন কুমার।
এ অপরাধ থেকে ২ তদারকি কর্মকর্তা ও ২ সচিবের বাদ রাখার কারন জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দিনের নিকট ক্ষুদে বার্তা প্রেরন করে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।









